কঙ্ক ঘোষ দস্তিদার: কলকাতা, ২৭ আগস্ট, ২০২৬। কোথায় ও কখন: আজ বিকেল ৪টে নাগাদ ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটে অবস্থিত সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই নজিরবিহীন ঘটনাটি ঘটে।
কীভাবে ও কেন সংঘাত:
অভিষেকের অফিসের ছাদে লাগানো সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি বিশাল দলীয় সাইনবোর্ড ও হোর্ড্রিংকে ‘অনুমোদনহীন’ দাবি করে তা ভাঙ্গতে আসে কলকাতা পৌরসভা (কেএমসি) এবং কলকাতা পুলিশের একটি বিশাল বাহিনী।
তবে পৌরসভার আধিকারিকরা কোনো বৈধ নোটিস বা সঠিক অফিশিয়াল অর্ডার কপি দেখাতে না পারায় তীব্র আপত্তি জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং।
পুলিশ-কর্মী ধস্তাধস্তি:
পুলিশের বাহিনী জোর করে অফিসের ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করলে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী, সমর্থক এবং অফিসের নিরাপত্তা রক্ষীদের সাথে পুলিশের তীব্র তর্কাতর্কি ও চরম ধস্তাধস্তি শুরু হয়।
পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মীকে আটক করে সরিয়ে দেয়।
অবশেষে বিকেল ৫টা নাগাদ গ্যাস কাটার নিয়ে এসে হোর্ডিংটি জোর করে নামিয়ে দেওয়া হয়।
আইনি হুঁশিয়ারি: এই ঘটনার পরেই তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, বিনা নোটিসে ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে ঢোকা এবং দলীয় সাইনবোর্ড ভাঙ্গা সম্পূর্ণ বেআইনি।
এই ‘দাদাগিরি’র বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধে তিনি সরাসরি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করতে চলেছেন।
পৌরসভা ও পুলিশের এই অ্যাকশন এবং তৃণমূলের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্তকে আপনি কীভাবে দেখছেন ?
