শিখা দেব : কলকাতা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে জিতে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট আইএফএ শিল্ড ফাইনালে খেলবার ছাড়পত্র পেল। রবিবার কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল ম্যাচে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে পাঞ্জাব এফ সি-কে হারিয়ে দেয় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। নির্দিষ্ট ও অতিরিক্ত সময়ে কোনও দলই গোল করতে পারেনি।
খেলার শুরু থেকেই আগ্রাসী ভূমিকা নিয়ে খেলতে থাকেন মোহনবাগানের ফুটবলাররা। খেলার ৮ মিনিটে বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পেয়ে যান আশিস রাই। কিন্তু, পাঞ্জাবের গোলকিপার আর্শদীপ সিং -য়ের তৎপরতায় সেই যাত্রায় বিপদ আসে নি। সেইসময়, আর্শদীপের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর চোট পান আশিস। তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেন সবুজ মেরুন কোচ প্যানজিওটিস দিলেম্পেরিস। তাঁর ভাল রকম চোট লেগেছে। পাঞ্জাব এফসি ধীরে ধীরে ম্যাচ নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়।
বিরতির পর লিস্টনকে বসিয়ে
মিগুয়েলকে নামান মোহনবাগানের কোচ । মিগুয়েল মাঠে নামায় বলের দখল নিতে চেষ্টা করে মোহনবাগান। পাল্টা আক্রমণে ৭০ মিনিটে পাঞ্জাবের বাউলির শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য শেষ হলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়েও গোল হয় নি।
তারপরে খেলার ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে। মোহনবাগানের গোলরক্ষক বিশাল কাইথ ত্রাতা হয়ে ওঠেন। পাঞ্জাবের দুটি শট ফিরিয়ে দেন বিশাল। মোহনবাগান ম্যাচ জিতে যায় ৪-৩ গোলের ব্যবধানে। টাইব্রেকারে সবুজ-মেরুনের হয়ে গোল করেন রাহুল ভেকে, আলবার্তো রদ্রিগেজ, শুভাশিস বসু এবং মিগুয়েল ফিগুয়েরা। অন্যদিকে, পাঞ্জাবের হয়ে গোল করেছেন মেসি বাউলি, ঋষিকান্ত মিতেই ও আর্শবীর সিং। শিল্ড ফাইনালে মোহনবাগানকে খেলতে হবে নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ও ইস্টবেঙ্গলের খেলায় বিজয়ী দলের সঙ্গে।
