দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য : কলকাতা, ৮ জুন, ২০২৬। বঙ্গ জীবনের অঙ্গ বাংলার দুর্গাপূজা। কেবল মণ্ডপ, প্রতিমা বা আলোর উৎসব নয়; এটি মানুষের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে তোলার এক অনন্য সামাজিক পরম্পরা। বছরের পর বছর ধরে পাড়ার দুর্গাপূজাগুলোর নেপথ্যে কাজ করে অসংখ্য অদৃশ্য হাত, অসংখ্য ছোট ছোট উদ্যোগ, আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে গলির মোড়ের সেই চিরচেনা আড্ডা।
পুজোর পরিকল্পনা, নতুন ভাবনা, বাজেট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কিংবা পাড়ার সবাইকে একসাথে নিয়ে চলার যে মানসিকতা—তার জন্ম হয় এই আনুষ্ঠানিক মিলনক্ষেত্রগুলিতেই। এখানেই তৈরি হয় আগামী দিনের স্বপ্ন, এখানেই ঠিক হয় পাড়ার উৎসবের রূপরেখা।
দুর্গাপূজা আসলে এক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত গল্প। যেখানে একজনের ভাবনা, আরেকজনের শ্রম, কারও সময়, কারও অবদান মিলেমিশে গড়ে তোলে একটি বৃহত্তর উৎসবকে। তাই দুর্গাপূজার প্রকৃত সৌন্দর্য শুধু মণ্ডপের আলোয় নয়, বরং সেই মানুষগুলোর মধ্যে, যারা সারা বছর ধরে একসাথে থাকার, একসাথে কিছু করার এবং একটি পাড়াকে একটি পরিবারের মতো বেঁধে রাখার চেষ্টা করে।
আর সেই কারণেই, দুর্গাপূজা মানেই শুধুমাত্র চার দিনের আনন্দ নয়; এটি বারো মাসের সম্পর্ক, অংশগ্রহণ এবং একসাথে পথ চলার এক অনন্ত উদযাপন।কিন্তু শেষ ২০ বছর বাঙালি থিমের পুজো দেখতে দেখতে ক্লান্ত। যে পাড়ায় থিমের পুজো হয় সেখানকার বাড়ির মানুষ জন পাগল হয়ে যায় ঐ কটা দিন।না পারে সময় মত বাড়ি থেকে বেরোতে না পারে বাড়িতে ঢুকতে।
