~ কমিউনিটি-নেতৃত্বাধীন গল্প এবং বিভিন্ন পাড়ার জন্য বিশেষভাবে নির্মিত ম্যুরালের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের পাড়াগুলির স্বতন্ত্র পরিচয়কে উদযাপন করা এক অভিনব উদ্যোগ ~
নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা, ১৮ অক্টোবর ২০২৬। পশ্চিমবঙ্গে একটি পাড়া শুধুমাত্র একটি আবাসিক এলাকা নয়। এটি এমন একটি জায়গা যেখানে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে, উৎসব উদযাপিত হয়, আড্ডা প্রাণ পায় এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম একসঙ্গে বেড়ে ওঠে। প্রতিটি পাড়ার নিজস্ব ছন্দ, স্বতন্ত্র চরিত্র এবং এমন সব গল্প রয়েছে, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা পরিচয় দেয়। এই গভীরভাবে প্রোথিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে উদযাপন করতে বিড়লা ওপাস পেইন্টস আজ ‘প্রানের পাড়া’ উদ্যোগের সূচনা করেছে। এটি একটি কমিউনিটি-নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ, যা রঙের মাধ্যমে বাংলার পাড়াগুলির প্রাণ ও স্বাতন্ত্র্যকে জীবন্ত করে তুলবে।
এই উদ্যোগের মূল ভাবনাটি খুবই সহজ: যদি প্রতিটি পাড়ার নিজস্ব ব্যক্তিত্ব থাকে, তবে তার নিজস্ব ম্যুরালও থাকা উচিত নয় কি?
‘প্রানের পাড়া’ উদ্যোগের মাধ্যমে বিড়লা ওপাস পেইন্টস পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের আহ্বান জানাচ্ছে www.birlaopuspranerpara.com-এ গিয়ে তাঁদের পাড়াকে মনোনীত করতে এবং কী কারণে তাঁদের পাড়া স্বতন্ত্র, তা ভাগ করে নিতে। কলকাতা, আসানসোল, শিলিগুড়ি থেকে বর্ধমান পর্যন্ত বিভিন্ন শহর ও অঞ্চলের পাড়াগুলির গল্প, ঐতিহ্য, মানুষ, উল্লেখযোগ্য স্থান এবং সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ১৫টি পাড়া নির্বাচন করা হবে। এরপর নির্বাচিত পাড়াগুলি বিড়লা ওপাস পেইন্টসের সঙ্গে একযোগে কাজ করে প্রতিটি পাড়ার জন্য বিশেষভাবে নির্মিত ম্যুরালের মাধ্যমে তাদের গল্পকে জীবন্ত করে তুলবে।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিড়লা ওপাস পেইন্টস-এর হেড – মার্কেটিং, ইন্দরপ্রীত সিং বলেন, “বিড়লা ওপাস পেইন্টসে আমরা বিশ্বাস করি যে রঙের মধ্যে আমাদের পরিচয় এবং আমাদের আপন পরিসরকে প্রকাশ করার শক্তি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে একটি পাড়া শুধুমাত্র একটি স্থান নয়, এটি তার মানুষ, স্মৃতি, ঐতিহ্য এবং একসঙ্গে থাকার অনুভূতির এক জীবন্ত অভিব্যক্তি। ‘প্রানের পাড়া’-র মাধ্যমে আমরা এই সাংস্কৃতিক বন্ধনকে উদযাপন করতে চেয়েছি, যাতে কমিউনিটিগুলি রঙের মাধ্যমে নিজেদের গল্প তুলে ধরার সুযোগ পায়।”
ডব্লিউপিপি মিডিয়া-এর প্রেসিডেন্ট, ক্লায়েন্ট সলিউশনস, শেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আঞ্চলিক বাজারে ব্র্যান্ড গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এখন ক্রমশই গুরুত্ব পাচ্ছে স্থানীয় সংস্কৃতির প্রকৃত বৈশিষ্ট্যগুলিকে সঠিক মিডিয়া সংযোগের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে অর্থবহভাবে যুক্ত করা। ‘প্রানের পাড়া’-র জন্য বিড়লা ওপাস পেইন্টসের সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্ব গভীর আঞ্চলিক অন্তর্দৃষ্টি এবং হাইপার-লোকাল বাস্তবায়ন দক্ষতাকে একত্রিত করেছে, যার মাধ্যমে একটি কমিউনিটি-কেন্দ্রিক সম্পৃক্ততার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল পশ্চিমবঙ্গের অনন্য পাড়া সংস্কৃতি ও পরিচয়কে উদযাপন করতে ব্র্যান্ডকে সহায়তা করা, গ্রাহকদের সঙ্গে আরও গভীর সংযোগ তৈরি করা এবং মিডিয়া যোগাযোগকে আরও প্রভাবশালী করে তোলা, একই সঙ্গে রাজ্যের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানানো।”
জি এন্টারটেইনমেন্ট এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড-এর চিফ অপারেটিং অফিসার, সন্দীপ মেহরোত্রা বলেন, “জি-তে আমরা সবসময় বিশ্বাস করি যে সবচেয়ে শক্তিশালী গল্পগুলো সেইসব কমিউনিটি থেকেই উঠে আসে, যাদের জন্য আমরা কাজ করি। ‘প্রানের পাড়া’ পশ্চিমবঙ্গের অনন্য পাড়া সংস্কৃতির এক শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ, যেখানে প্রতিটি পাড়ার নিজস্ব পরিচয়, স্মৃতি এবং আপনত্বের অনুভূতি রয়েছে। বিড়লা ওপাস পেইন্টসের সঙ্গে আমাদের এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা গর্বিত যে এই গল্পগুলিকে সকলের সামনে তুলে ধরতে পারছি এবং এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারছি, যা মানুষকে অর্থবহ ও অংশগ্রহণমূলক উপায়ে তাঁদের স্থানীয় গর্ব উদযাপনের সুযোগ করে দেয়। গল্প বলার শক্তি, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা এবং সাংস্কৃতিক প্রাসঙ্গিকতার সমন্বয়ে এই উদ্যোগটি দর্শকদের সঙ্গে গভীরভাবে সংযোগ স্থাপনকারী অভিজ্ঞতা তৈরির প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন, একই সঙ্গে এটি ব্র্যান্ড এবং গ্রাহকদের মধ্যে সম্পর্ককে আরও মজবুত করে।”
‘প্রানের পাড়া’-র মাধ্যমে বিড়লা ওপাস পেইন্টস পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি পাড়ার স্বতন্ত্র সংস্কৃতি ও গল্পকে উদযাপন করছে, যা সেই পাড়ার নিজস্ব পরিচয়ের প্রতিচ্ছবি। এই উদ্যোগ পাড়াগুলিকে তাদের স্বকীয়তা তুলে ধরার এবং রঙের মাধ্যমে তাকে জীবন্ত করে তোলার একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করছে। কারণ প্রতিটি পাড়ারই একটি গল্প রয়েছে, আর প্রতিটি গল্পই তার নিজস্ব রঙ পাওয়ার যোগ্য।
