সুদীপা চৌধুরী : মেদিনীপুর, ৬ নভেম্বর, ২০২৬। বাঙালিদের মতো আত্মবিস্মৃত জাতি বোধহয় আর নেই। নিজেরাই নিজেদের রীতিনীতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করতে আনন্দ পায়। জানি না, নিজেদের শিকড়কে উপহাস করার মধ্যে ঠিক কীসের তৃপ্তি খুঁজে পায়।
একজন দেখলাম একটা পোস্টে লিখেছে এখন লক্ষ্মীপূজো কেন হচ্ছে ওটাতে দুর্গাপূজার পরে হয়েছে। সঙ্গে তিনি কিন্তু “লক্ষ্মী” বানানটাও ভুল লিখেছে।
এই দীপাবলিতে শুধু একমাত্র লক্ষী নয় একসঙ্গে তিন জনের পুজা দেবতার পূজা হয়। শ্রীরাম অযোধ্যায় ফিরেছিলেন বলে দীপাবলি এটা লৌকিক এর সঙ্গে পৌরাণিক কাহিনী আরও জড়িয়ে আছে বহু বহু যুগ আগের। ধনতেরাসের আরেক নাম ধনত্রয়োদশী। এই পবিত্র তিথিতে ভগবান ধন্বন্তরির আরাধনা করা হয় সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর কামনায়। পাশাপাশি দেবী লক্ষ্মী ও কুবেরের পূজাও প্রচলিত, সংসারে ধন, সমৃদ্ধি ও মঙ্গলের প্রত্যাশায়।
ইতিহাস না জেনে পড়াশোনা না করে কেন এসব পোস্ট করে কেন বুঝে পাইনা, যদিও আমিও যে সবটা জানি তা একেবারেই নয়।
কেউ কেউ আবার ঝাঁটা নিয়ে অনেক অবান্তর কথা লিখেছে। অন্য সম্প্রদায়ের মানুষের খোঁজ নিয়ে দেখবেন তারা কিন্তু কখনোই নিজেদের কোন কিছুই ছোট করে দেখায় না, নিজেরাই নিজেদের রীতিনীতি নিয়ে মস্করা করে না।
ভালো না লাগে আপনি করবেন না কিন্তু সেই ব্যাপারটা নিয়ে খিল্লি করার কি আছে??
