নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা, ২১ মার্চ ২০২৬। চলচ্চিত্র নির্মাতা শ্রেষ্ঠা গাঙ্গুলীর উদ্যোগে পরিচালিত মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক উদ্যোগ ফ্লোরেন্স, বিশ্ব বন দিবস উপলক্ষে একটি হৃদয়স্পর্শী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে। এই উদ্যোগটি ‘ঝরে জলে জঙ্গলে’ নামক একটি ইকো-হেরিটেজ উদ্যোগের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়। অফিসিয়াল ভেন্যু পার্টনার অফবিট সিসিইউ-তে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি উদ্দেশ্য, স্থায়িত্ব এবং সামাজিক প্রভাবকে একত্রিত করেছে।
অভিরূপ সেনগুপ্তর ‘প্রয়াস’-এর সহযোগিতায় এই উদ্যোগে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের আনন্দময় অংশগ্রহণ দেখা যায়। তারা চারা গাছ রোপণ করে এবং প্রকৃতির সঙ্গে এক গভীর ও থেরাপিউটিক সংযোগ স্থাপন করে। এই কর্মসূচি পরিবেশ রক্ষা ও মানসিক সুস্থতার গভীর সম্পর্ককে তুলে ধরে এবং এক অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি করে যেখানে প্রকাশ, শেখা ও সুস্থতার সুযোগ তৈরি হয়।
প্রখ্যাত ওডিশি নৃত্যশিল্পী অভিরূপ সেনগুপ্ত, যিনি তাঁর শিল্পকুশলতা এবং সামাজিক কাজের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য পরিচিত, এই উদ্যোগে প্রয়াসের শিশুদের যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শিল্পের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তি ও ক্ষমতায়নের জন্য তাঁর ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এই অনুষ্ঠানে এক অনুপ্রেরণামূলক মাত্রা যোগ করেছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফ্লোরেন্স প্রকৃতির সঙ্গে সচেতন সংযোগের মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে সওয়াল করে চলেছে। শিশুদের উপস্থিতি ও উৎসাহ এই অনুষ্ঠানে এক শক্তিশালী কমিউনিটির অনুভূতি তৈরি করে, যা অন্তর্ভুক্তি ও সম্মিলিত দায়িত্ববোধের গুরুত্বকে আরও জোরদার করে।
অফবিট সিসিইউ, ভেন্যু পার্টনার হিসেবে, এই উদ্যোগের ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি উষ্ণ ও সচেতন পরিবেশ প্রদান করেছে, অন্যদিকে ‘ঝরে জলে জঙ্গলে’র সহযোগিতা পরিবেশ সচেতনতা ও টেকসই জীবনের বার্তাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
এই প্রসঙ্গে শ্রেষ্ঠা গাঙ্গুলী বলেন, বর্তমানের দ্রুতগতির জীবনে পরিবেশ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি, এবং এ ধরনের বাস্তব অভিজ্ঞতা দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, প্রকৃতির দিকে ছোট ছোট সম্মিলিত পদক্ষেপও পরিবেশ এবং মানবমনের জন্য বড় পরিবর্তন আনতে সক্ষম।


