নিজস্ব প্রতিনিধি : নিউ দিল্লি, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬। দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন করে সংশোধিত ভারতের ইতিহাস রচনার কাজ আজ বহুচর্চিত একটি বিষয় । অনেকেই অভিযোগ করেন স্বাধীনতার পর কংগ্রেস সরকারের আমলে বামপন্থী শিক্ষাবিদদের দিয়ে কাল্পনিক এবং পক্ষপাতদুষ্ট ইতিহাস লেখানো হয়েছে । ঠিক এই রকম সময়ে রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর নেতৃত্বে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর চিফ সেক্রেটারির হাতে ভারতের পাঠ্যপুস্তকের সিলেবাস থেকে দ্রুত মিথ্যা ও বিকৃত ইতিহাস সরিয়ে সঠিক ইতিহাস অন্তর্ভুক্তির দাবী জানালো অখিলভারত হিন্দুমহাসভা । শুধু তাই নয় রাষ্ট্রপতির নির্দেশে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নির্ধারক সংস্থা NCERT এর মুখ্য সচিব ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যসূচির পুনর্গঠনের কাজ দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেইল করে এবং শুভেচ্ছাপত্র পাঠিয়ে হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর । এই প্রসঙ্গে ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামীর বক্তব্য আমরা শিক্ষা ব্যবস্থায় রাজনৈতিক প্রভাবের বিরুদ্ধে, কিন্ত দেশের প্রকৃত ইতিহাস জানা অবশ্যই দেশবাসীদের জন্মগত অধিকার । আমাদের দেশে সঠিক ইতিহাস পড়ানো হয়না বলেই বাবরের মত আক্রমণকারী বর্বর দস্যুকে কবর থেকে তুলে এনে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতি করতে পারছে ভরতপুরের বিতর্কিত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর । সিলেবাসে বিদেশি মুঘলদের লুণ্ঠন, অত্যাচার, বর্বরতা, সাম্প্রদায়িক নৃশংসতা ও হত্যার ইতিহাসকে আড়াল করে দস্যু প্রবৃত্তির শাসকদের মহান করে দেখানো হয়েছে বলেই দেশের একটি অংশের মুসলমান আজও সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা ও হিন্দুবিদ্বেষী মনোভাব পোষণ করে । আমাদের রাজ্যেও ওই একই কারণে আন্দোলনের নামে কিছু ধর্মান্ধ মুসলমান দেশের সম্পদ নষ্ট করা, মুর্শিদাবাদে হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাসকে হত্যা করা, বন্দেভারত ট্রেনে পাথর ছোঁড়া, নাশকতা চালানো ইত্যাদির মত অপকর্ম করছে । অথচ খুব বিস্ময়ের ব্যাপার তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধে মারাঠাদের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে প্রাণ হারানো বীর সেনাপতি ইব্রাহিম খান গার্দি, আব্দুল রহিম খান, দারা সিকোদের মত দেশপ্রেমী মুসলমানদের ইতিহাস আমাদের পড়ানো হয়নি । এমনকি মহান গুপ্ত সাম্রাজ্য, মৌর্য সাম্রাজ্য, অহম সাম্রাজ্য, দক্ষিণ ভারতের একাধিক মহান সাম্রাজ্য, সম্রাট ললিতাদিত্য মুক্তাপীঠ বা সম্রাট লাচিত বরফুকনদের ইতিহাস গোপন করা হয়েছে । ভারতের ইতিহাসে এই সমস্ত ভন্ডামি ও দ্বিচারিতার বিষয়ে আমরা বারংবার রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষন করছি এবং রাষ্ট্রপতির নির্দেশেই NCERT এর মুখ্য সচিব চিঠি পাঠিয়ে এবং মেইল করে আমাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন । রাষ্ট্রপতি ভবনে মহাসভার পক্ষ থেকে ডেপুটেশন প্রদান কর্মসূচিতে রাজ্য সভাপতি ডক্টর চন্দ্রচূড় গোস্বামী ছাড়াও অফিস সেক্রেটারি অনামিকা মন্ডল, সোমা দে মন্ডল, দীপঙ্কর রায়, জিতেন গোস্বামীর মত রাজ্য নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে ।
পাঠ্যপুস্তকে ভারতীয় ইতিহাস পরিবর্তনে হিন্দুমহাসভার উদ্যোগ এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন….।
You May Also Like
Posted in
Health
Anand Kripalu Joins Lupin Board as Independent Director…
Posted by
Gopal Debnath
Posted in
General
মহাজতি সদনে বিপিবিইএ এর মহাসমারোহে ৩১তম রাজ্য সম্মেলন …।
Posted by
Gopal Debnath
More From Author
JD Birla Institute’s School of Commerce Launches Kolkata’s First Gen Z Budget Debate….


